রাকিবুল হাসান কক্সবাজারের একজন তরুণ উদ্যোক্তা। ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেট তার প্রাণের খেলা। বাংলাদেশের প্রতিটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ তিনি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখেন, খেলোয়াড়দের ফর্ম, পিচের অবস্থা, আবহাওয়া — সব নিয়ে তার বিশ্লেষণ চলতে থাকে। বন্ধুরা অনেক দিন ধরেই বলত, "এত কিছু জানিস, একটু বেট করে দেখ না।" কিন্তু কোথায় শুরু করবেন, কীভাবে করবেন — এটা নিয়ে দ্বিধা ছিল।
তারপর একদিন বন্ধুর কাছ থেকে dg66-এর কথা শুনলেন। প্রথমে একটু সন্দিহান ছিলেন — অনলাইনে টাকা লেনদেন করা কতটা নিরাপদ? কিন্তু dg66-এর SSL এনক্রিপশন, বিকাশে সহজ পেমেন্ট এবং বাংলায় পুরো ইন্টারফেস দেখে মন ভরে গেল। নিবন্ধন করলেন মাত্র দুই মিনিটে। প্রথম ডিপোজিটে ১০০% বোনাস তো পেলেনই।
dg66-এ প্রথম বেট করার আগে আমি প্ল্যাটফর্মের স্ট্যাটিস্টিক্স টুল দিয়ে গত দশটা ম্যাচের ডেটা দেখলাম। এটা আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। শুধু আবেগ দিয়ে না, তথ্য দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই আমার সাফল্যের মূল কারণ।
রাকিব ভাইয়ের কৌশল ছিল সহজ — শুধু T20 ম্যাচে বেট করবেন, যেখানে ফলাফল অনুমান করা তুলনামূলক সহজ। প্রথম মাসে তিনি মাত্র ৳৫০০ দিয়ে শুরু করেছিলেন। IPL-এর তিনটি ম্যাচে একক বেট করে ৳৯৫০ পেলেন। তারপর ধীরে ধীরে অ্যাকুমুলেটর বেটে হাত দিলেন। তিনটি ম্যাচের অ্যাকুমুলেটরে একবার তার ৳৩০০ বেট থেকে ৳২,১০০ পেয়েছিলেন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে শিক্ষা তিনি পেয়েছেন তা হলো — বেটিংয়ে প্রতিদিন জেতা সম্ভব না, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে পরিকল্পনা থাকলে ফলাফল ভালো হয়। dg66-এর আর্লি পেআউট ফিচার ব্যবহার করে তিনি একাধিকবার সম্ভাব্য ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছেন।